Neem for Diabetes:neem helps to manage blood suger levels | নিম শুধু ভালো নয়, সুগারেরও যম! যে ভাবে খাবেন…

0
21


এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের সমীক্ষা পড়লে হতবাক হওয়ারই কথা। বিশ্বজুড়ে প্রতি বছরই প্রায় ১৬ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর কারণ ডায়েবিটিস। WHO-এর দাবি, ২০৩০ সালের মধ্যে ব্লাড সুগার বা ডায়েবিটিসই পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যুর কারণে সপ্তম স্থানে চলে আসবে।

ব্লাড সুগার একটি অত্যন্ত জটিল অসুখ, কিন্তু নিয়মের মধ্যে জীবনযাপন করলে খুব সহজেই একে বশে রাখা যায়। রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেলে শরীরে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। হাই ব্লাড সুগারের রোগীদের অনেকেরই চোখ, পা, কিডনি, নার্ভের ব্যাপক ক্ষতি এমনকী হার্টঅ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কা প্রবল।

ডায়েবিটিক রোগীদের খাওয়া-দাওয়ায় অসম্ভব সতর্কতা থাকলে, খুব সহজেই সুস্থ জীবন কাটানো যায়। এই রোগীদের সঠিক ডায়েট অত্যন্ত জরুরি। প্রোটিন এবং হাই ফাইবারযুক্ত খাবারের পর্যাপ্ত ব্যালান্স থাকলেই হতে পারে বাজিমাত।

ওষুধ-ইনসুলিন-ব্যায়ামের পাশাপাশি ডায়েবিটিক রোগীদের কিছু টোটকারও প্রয়োজন। আর তার সবচেয়ে ভালো উদাহরণ হল নিমপাতা। অত্যন্ত সহজলভ্য এই নিমপাতা কিন্তু দারুণ কার্যকরী।

ভারতের প্রায় সব জায়গাতেই নিমগাছ দেখা যায়। নিমের ফুল-ফল-পাতা-বীজ-কাণ্ড সবই কাজে লাগান ভারতীয়রা। চামড়ার রোগ, জ্বালা, জ্বর, সংক্রমণ সব রোগেই নিমের উপকার দারুণ।

নিমপাতা বাটা

ইন্ডিয়ান জার্নাল অফ ফিজিওলজি অ্যান্ড ফার্মাকোলজির সাম্প্রতিক গবেষণাপত্র বলছে, নিমপাতা থেকে দারুণ উপকার পেতে পারেন ব্লাড সুগারের রোগীরা। এক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকরী নিমপাতার গুঁড়ো। এছাড়াও নিমপাতা ভেজানো জল বা কাচা নিমপাতা চিবিয়ে খেলেও দারুণ কাজে লাগবে। তবে বেশি খেলে উল্টো ফল পেতেও দেরি হবে না।

কীভাবে তৈরি করবেন নিমের শরবত?

তেতো নিমপাতা খেতে অনেকেরই খারাপ লাগে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি অ্যান্টি-ডায়েবিটিকের কাজ করবে।

১. এক লিটার জলে ২০টি নিমপাতা ৫ মিনিট ধরে ফুটিয়ে নিন।

২. পাতাগুলি নরম হয়ে আসবে। জলের রং বদলে গাঢ় সবুজ হতে শুরু করবে।

৩. ছেঁকে সেই জল বোতলে ভরে নিন। এই সরবতটাই দিনে দু’বার খান।

আজ থেকেই শুরু করে দিন… অল দ্য বেস্ট!





Source link

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here