kolkata news: road encroahment and lack of water may turn entally market to an inferno – বেদখল রাস্তা ও জলের অভাবে এন্টালি বাজারেও জতুগৃহের ছায়া

0
15


এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে এন্টালি বাজার। মঙ্গলবার বাজার ঘুরে এমনই দাবি জানিয়েছেন পুরসভা ও দমকল আধিকারিকরা।

মাত্রাছাড়া দখলদারি, পর্যাপ্ত জলের অভাব এবং ত্রুটিপূর্ণ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে যে কোনও দিন আর এক জতুগৃহ হয়ে উঠতে পারে এন্টালি বাজার। এদিন বাজার ঘুরে এসে পুরসভার কাছে বেশ কিছু প্রস্তাব জানিয়ে সুপারিশ করেছে প্রতিনিধি দল, জানিয়েছেন দমকল বিভাগের আধিকারিক অর্ণব ঘোষ।

বাগরি মার্কেট অগ্নিকাণ্ডের জেরে প্রতি মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার শহরে পুরসভার তালিকাভুক্ত বাজারগুলির পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তৈরি হয়েছে বিশেষ পরিদর্শক দল। পুরকর্তারা ছাড়া দলে রয়েছেন দমকল এবং কলকাতা পুলিশের আধিকাররা।

বাজার পরিদর্শক দলের এদিন এন্টালি বাজারে যাওয়ার প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল না। ঠিক ছিল, বড়বাজারের সত্যনারায়ণ পার্ক-সহ কয়েকটি পুরসভার অধীনস্থ বাজার ঘুরে দেখা হবে। কিন্তু পুরসভার কমিশনার অনুপস্থিত থাকায় এবং মেয়র পারিষদ (বাজার) ভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে শেষ মুহূর্তে পরিকল্পনা পালটে যায়।

এন্টালি বাজারের সামনে রাস্তায় দখলদারির সমস্যা খুঁটিয়ে দেখেছেন পরিদর্শকরা। দোতলায় বেশ কয়েকটি দোকান তালাবন্ধ পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। তাদের চাবি কার কাছে রয়েছে, তার সঠিক উত্তর মেলেনি। পরিস্থিতি দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন দমকল বিভাগের আধিকারিকরা। তাঁর সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘আগুন লাগলে এই সব দোকানের চাবি কোথা থেকে পাওয়া যাবে?’

এছাড়া ওই বাজারে অগ্নিকাণ্ড হলে আগুন নেভাতে যথেষ্ট জলের জোগান নেই বলেও মনে করা হচ্ছে। গোটা বাজারে মাত্র ৪টি ফায়ার এক্সটিংগুইশার রয়েছে যা দমকল আধিকারিকদের মতে প্রয়োজনের চেয়ে অপ্রতুল। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এন্টালি বাজারে একটি মাত্র গঙ্গা জলের কল চালু রয়েছে, যার থেকে স্বল্প পরিমাণ জল পাওয়া যায়। বাজারের ছাদে রয়েছে ছোট মাপের জলাধার। আগুন নেভাতে এই ব্যবস্থা যে আদৌ সহায়ক হবে না, তা সাফ জানিয়ে দেন পরিদর্শকরা।

শুধু তাই নয়, অগ্নিকাণ্ডের কথা মাথায় রেখে বাজারে আর একটি সিঁড়ি তৈরির সুপারিশও করেছে দমকল। এই বিষয়ে লিখিত প্রস্তাব দিতে বলেন পুরসভার সহকারী কমিশনার। তার ভিত্তিতেই পুরসভা পদক্ষেপ করবে বলে জানা গিয়েছে। অন্য দিকে, বাগরি মার্কেট অগ্নিকাণ্ডের জেরে জমা হওয়া জঞ্জাল ফেলতে ধাপায় পুকুর-সমান গর্ত খুঁড়তে হবে বলে মনে করছেন দমকল কর্তারা। জানা গিয়েছে, জঞ্জালের পরিমাণের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।





Source link

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here