Presidency Correctional Home: presidency jail prisoner swallows mobile phone – বন্দি গিলে ফেললেন মোবাইল, তোলপাড়

0
18


হিমাদ্রি সরকার

মাদক ভরা ক্যাপসুল, কাচের গুলি নয়, আস্ত একখানা মোবাইল! তাই গিলে ফেললেন এক বন্দি! সোমবার বিকেলে বন্দির এহেন কারবারে চোখ কপালে ওঠার জোগাড় হল প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের আধিকারিকদের। বেআইনি মোবাইল, মাদক, টেলিভিশন সেট–কড়ি ফেললে জেলে এ সব কোনওটাই মেলা যে অসাধ্য নয়, হালে বহু বার তা প্রকাশ্যে এসেছে। এই ট্র্যাডিশন বন্ধেই সংশোধনাগারগুলিতে টহলদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। সেই নির্দেশ মেনে নিয়ম করে চলছে তল্লাশি। সোমবার বিকেলে তল্লাশি চলাকালীনই এক বন্দির কাছে ফের মোবাইলের হদিস পান কারারক্ষীরা। রক্ষীদের দেখেই মোবাইলটি মুখে পুরে দেন ওই বন্দি। পাছে হাতেনাতে ধরা পড়ে যান, সেই ভয়েই আর ঝুঁকি নিতে চাননি।

ওই বন্দির নাম রামচন্দ্র বাগাপ্পা। আদতে মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। কলকাতায় একটি ডাকাতির ঘটনায় তিনি বর্তমানে বিচারাধীন। জেলের ভারপ্রাপ্ত সুপার তথা ডিআইজি (প্রেসিডেন্সি) বিপ্লব দাস সে সময়ে সংশোধনাগারে ছিলেন না। এক বন্দি আস্ত মোবাইল গিলে ফেলেছেন, এই খবর পেয়ে তড়িঘড়ি চলে আসেন। দ্রুত ওই বন্দিকে এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রামচন্দ্রের এক্স-রে করা হয়েছে। দেখা গিয়েছে, মোবাইলটি তাঁর পেটে আটকে আছে। সেটি মলের সঙ্গে বেরিয়ে যাবে বলেই চিকিৎসকদের আশা। সে জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র দিয়ে জেলেই ফেরত পাঠানো হয়।

চিকিৎসকদের আশ্বাসে ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ে কারারক্ষীদের। তবে বিস্ময় যায়নি। দেশলাই বাক্সের মতো এক-দেড় আঙুলের অত ছোট মোবাইলে কী করে কথাবার্তা হওয়া সম্ভব, সে নিয়েই বিস্ময় কারাকর্মীদের। তবে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, এই মোবাইলটিতে সম্ভবত আলাদা করে ব্যাটারির দরকার হয় না। সূর্যালোকে চার্জ হয়। কোনও এক ওয়ার্ডারই সেটি জোগাড় করে দিয়েছিলেন বলে অনুমান। এ দিনই আবার দুই বন্দির কাছ থেকে দু’টি বেআইনি টেবিল-পাখাও উদ্ধার করেন কারাকর্মীরা। তবে সব ছাপিয়ে গিয়েছে মোবাইল গিলে ফেলার ঘটনাই। এত ছোট মোবাইল আরও বন্দির কাছে রয়েছে কি না, ভাবাচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।

ফেললেন মোবাইল, তোলপাড়

হিমাদ্রি সরকার মাদক ভরা ক্যাপসুল, কাচের গুলি নয়, আস্ত একখানা মোবাইল! তাই গিলে ফেললেন এক বন্দি! সোমবার বিকেলে বন্দির এহেন কারবারে চোখ কপালে ওঠার জোগাড় হল প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের আধিকারিকদের। বেআইনি মোবাইল, মাদক, টেলিভিশন সেট–কড়ি ফেললে জেলে এ সব কোনওটাই মেলা যে অসাধ্য নয়, হালে বহু বার তা প্রকাশ্যে এসেছে। এই ট্র্যাডিশন বন্ধেই সংশোধনাগারগুলিতে টহলদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। সেই নির্দেশ মেনে নিয়ম করে চলছে তল্লাশি। সোমবার বিকেলে তল্লাশি চলাকালীনই এক বন্দির কাছে ফের মোবাইলের হদিস পান কারারক্ষীরা। রক্ষীদের দেখেই মোবাইলটি মুখে পুরে দেন ওই বন্দি। পাছে হাতেনাতে ধরা পড়ে যান, সেই ভয়েই আর ঝুঁকি নিতে চাননি। ওই বন্দির নাম রামচন্দ্র বাগাপ্পা। আদতে মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। কলকাতায় একটি ডাকাতির ঘটনায় তিনি বর্তমানে বিচারাধীন। জেলের ভারপ্রাপ্ত সুপার তথা ডিআইজি (প্রেসিডেন্সি) বিপ্লব দাস সে সময়ে সংশোধনাগারে ছিলেন না। এক বন্দি আস্ত মোবাইল গিলে ফেলেছেন, এই খবর পেয়ে তড়িঘড়ি চলে আসেন। দ্রুত ওই বন্দিকে এসএসকেএম হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রামচন্দ্রের এক্স-রে করা হয়েছে। দেখা গিয়েছে, মোবাইলটি তাঁর পেটে আটকে আছে। সেটি মলের সঙ্গে বেরিয়ে যাবে বলেই চিকিৎসকদের আশা। সে জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র দিয়ে জেলেই ফেরত পাঠানো হয়।

চিকিৎসকদের আশ্বাসে ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ে কারারক্ষীদের। তবে বিস্ময় যায়নি। দেশলাই বাক্সের মতো এক-দেড় আঙুলের অত ছোট মোবাইলে কী করে কথাবার্তা হওয়া সম্ভব, সে নিয়েই বিস্ময় কারাকর্মীদের। তবে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, এই মোবাইলটিতে সম্ভবত আলাদা করে ব্যাটারির দরকার হয় না। সূর্যালোকে চার্জ হয়। কোনও এক ওয়ার্ডারই সেটি জোগাড় করে দিয়েছিলেন বলে অনুমান। এ দিনই আবার দুই বন্দির কাছ থেকে দু’টি বেআইনি টেবিল-পাখাও উদ্ধার করেন কারাকর্মীরা। তবে সব ছাপিয়ে গিয়েছে মোবাইল গিলে ফেলার ঘটনাই। এত ছোট মোবাইল আরও বন্দির কাছে রয়েছে কি না, ভাবাচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।





Source link

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here